ওসমানীনগর উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের সিকন্দরপুর পশ্চিমগাঁও গ্রামে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব ও ওসমানীনগর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ইউনয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জরিফ হোসেন আছাঁন খাঁ কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিকন্দরপুর পশ্চিম গাঁও নিজ বাড়িতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব ও ওসমানীনগর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করে।
শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এস.আই আব্দুল কাদির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সিকন্দরপুর গ্রামে দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে ঘিরে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, গুলিবর্ষণ ও প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। উমরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও প্রভাবশালী নেতা জরিফ হোসেন ওরফে আছান খাঁ এবং তাঁর ভাই, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য হাজী নুর হোসেনের সঙ্গে স্থানীয় শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজনের দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এবং একাধিক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সর্বশেষ গত ২১ জুলাই একই গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আক্তার হোসেন ও ওয়াহিদুর হোসেনর বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও গুলাগুলির ঘটনায় ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ২৭ জুলাই এমরান হোনের পুত্র ওয়াহিদুর রহমান বাদি হয়ে ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৪। ওই মামলায় জরিফ হোসেন আছাঁন খাঁ কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিছে পুলিশ। এর আগে গত জুলাই মাসে লন্ডনে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে আছান খাঁ দেশে ফেরার পর এলাকায় আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর তাঁর অনুসারীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া এবং বিভিন্ন বাড়িতে হামলা, লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। চলতি মাসেও আছান খাঁর নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র ক্যাডার বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ওসমানীনগর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন, আছান খাকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
ওসমানীনগর প্রতিনিধি 








