হবিগঞ্জের লাখাইয়ে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর তারেক মিয়া (২২) নামে এক তরুণের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকার একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তারেক মিয়া নবীগঞ্জ উপজেলার চৌশতপুর এলাকার মারফত উল্লাহর ছেলে।
এ ঘটনায় নিহত তারেকের বন্ধু সাদেক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে নবীগঞ্জ উপজেলার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে সাদেক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাদেক মিয়াও একই এলাকার বাসিন্দা নানু মিয়া ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কাজের উদ্দেশ্যে দুই বন্ধু লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া এলাকায় যান। সেখানে তারেকের কাছে থাকা একটি আইফোন নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পুলিশের দাবি, একপর্যায়ে সাদেক তারেককে গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ একটি খালে ফেলে দেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।
এদিকে তারেক নিখোঁজ হওয়ার পরদিন শুক্রবার পরিবারের সদস্যরা নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পুলিশ নিখোঁজের বিষয়টি তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে সাদেককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আইফোন নেওয়ার উদ্দেশ্যে তারেককে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন সাদেক। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ফুলবাড়িয়া এলাকার খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 








