সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মতিউর রহমান (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আবুল কাশেম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত মতিউর রহমান পীরেরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের আলমগীর (২৫), তাঁর বাবা আরব আলী এবং অপর পক্ষের কাশেম (৫৫), বাবুল (৫০) ও লেবলু (৩০) তাঁদের বাবা আছির উল্লাহর পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধে জড়ান। দুই পক্ষের জমি পাশাপাশি অবস্থিত।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আলমগীর প্রতিপক্ষের বাড়ির কাছের একটি বোরো জমিতে গেলে পানি সেচ ও মাছ ধরা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ সময় দ্বিতীয় পক্ষের লোকজন আলমগীরকে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
ওই ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার সকালে পীরেরগাঁও এলাকার হামিদের বাড়ির সামনের বোরো জমিতে দুই পক্ষের লোকজন আবারও মুখোমুখি হন। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের সুলফির আঘাতে প্রথম পক্ষের মতিউর রহমানের ঘাড়ের নিচে এবং বুকের ডান ও বাঁ পাশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সংঘর্ষে আহত মজিব (৩৮), ইস্কান্দারের ছেলে, গুরুতর অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্য আহতরা জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








