ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ভারতীয় নাগরিক অঞ্জনা ভৌমিকের (৫৬) মরদেহ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
পারিবারিক ও ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর ২০২৬ অঞ্জনা ভৌমিক চিকিৎসার জন্য ভারতের আগরতলা থেকে বিমানে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। যাত্রাপথে বিমানের দরজায় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে ফ্লাইটটি জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমান অবতরণের পর অঞ্জনা ভৌমিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাঁকে দ্রুত ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাঁর মরদেহ তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আনা হয়। মৃত ব্যক্তি ও তাঁর সঙ্গে থাকা নিকটাত্মীয়দের কারও কাছে পাসপোর্ট না থাকায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন বিশেষ বিবেচনায় তাঁদের জন্য ভ্রমণ অনুমতিপত্র বা ‘ট্রাভেল পারমিট’ দেয়।
পরে তামাবিল সীমান্তে বিজিবি ও বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় বিজিবি ও বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং অঞ্জনা ভৌমিকের স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ হস্তান্তর শেষে বিএসএফের সহযোগিতায় তাঁর স্বজনেরা ভারতের অভ্যন্তরে রওনা হন।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি 








