শেষ সময়েও জমজমাট ঈদের বাজার
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ AM

শেষ সময়েও জমজমাট ঈদের বাজার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০/০৩/২০২৬ ১২:০৫:৩২ PM

শেষ সময়েও জমজমাট ঈদের বাজার


পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সিলেট নগরীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাক চলেছে গভীর রাত পর্যন্ত। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। মানুষের ঠেলাঠেলি এড়াতে দিনের বেলাতেই অনেকে সেরে নিচ্ছেন কনাকাটা। তবে, দাম নিয়ে আছে ক্রেতা ও বিক্রেতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

এদিকে গেল বছরগুলোর তুলনায় এবার বেচাবিক্রি বেশি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। চাঁদরাত পর্যন্ত এমন ভিড় থাকবে বলে আশা তাদের।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এবার নারীদের পছেন্দের শীর্ষে রয়েছে ভিনদেশি সালোয়ার কামিজ; পুরুষদের পাঞ্জাবি। তবে, গরমের বিষয়টি মাথায় রেখে অনেকেই আবার বেছে নিচ্ছেন দেশীয় সুতি পোশাক।

নগরীর জিন্দাবাজার, কুমারপাড়া ও নয়াসড়ক এলাকার বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মল ঘুরে দেখা যায়, নারী, পুরুষ ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভিড়। থাইল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তানি নতুন ডিজাইনের থ্রি-পিস, শাড়ি, ছেলেদের পাঞ্জাবি আর শিশুদের বাহারি পোশাক কিনতে আগ্রহী ক্রেতারা। তবে গতবারের তুলনায় এবার কাপড়ের দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়েছে বলে দাবি, ক্রেতাদের।

বাজারে এক একটি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর পাকিস্তানি থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে ২ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। তবে চাহিদা রয়েছে মেয়েদের পাকিস্তানি ফারসি পোশাক, যা পাওয়া যাচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার মধ্যে। তবে দাম বেশি থাকায় পছন্দের পোশাক কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। বাড়তি দাম এবং অরিজিনাল পণ্য নিয়ে কিছুটা সন্দিহান রয়েছেন অনেক ক্রেতা।

আড়ংয়ের ব্যবস্থাপক জানান, শুরুতে বিক্রি কিছুটা কম থাকলেও এখন ক্রেতার ভিড় বাড়ছে। চাহিদার শীর্ষে রয়েছে সুতি পোশাক। তার দাবি, আমদানির কারণে কিছুটা দাম বাড়লেও গতবছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম অনেক কম।

ব্রান্ডশপ সিগন্যাল এর ম্যানেজার বাবুল আক্তার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ; গত বছরগুলোর তুলনায় এবার বেচাবিক্রি বেশি হচ্ছে। আশা করছি চাঁদরাত পর্যন্ত এমন ভিড় থাকবে।

আড়ংয়ে পরিবারসহ ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন গৃহবধু তামান্না জাফরীন। তিনি বলেন, ‘বাজারে ভারতীয় পণ্য কম থাকায় পাকিস্তানি পণ্যের দাম একটু বেশি। তাই দেশীয় পণ্য কিনতে এখানে এসেছি, দুই মেয়ে ও এক ছেলের জন্য তিনটা জামা কিনেছি ২০ হাজার টাকায়। যা গত বছর তুলনায় প্রায় ৫ হাজার টাকার ওপরে বেশি।’

মাহা শপিংমলে আসা সিনথিয়া মজুমদার বলেন, ‘দাম যেমনই হোক, নতুন পোশাকে ঈদ উদযাপন করব এটাই আনন্দের বিষয়।’

শুকরিয়া শপিং মলের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, ‘পরিবার পরিজন নিয়ে সবাই আসছেন ঈদের কেনাকাটা করতে। দিনের তুলনায় রাতে ক্রেতাদের চাপ বেশি থাকে। তাদিও দাবি, এবার পাকিস্তানি পোশাকের দামি বাড়তি হওয়ায় বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর