সন্তান লালন-পালনে ধৈর্য ও বোঝাপড়া জরুরি
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৪:৩২ PM

সন্তান লালন-পালনে ধৈর্য ও বোঝাপড়া জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯/০৬/২০২৬ ০৯:১৭:৩৫ AM

সন্তান লালন-পালনে ধৈর্য ও বোঝাপড়া জরুরি


সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা থাকলে সন্তানকে সঠিক শিক্ষা দিয়ে বড় করে তোলা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। সন্তান বড় হওয়ার সময় তার মধ্যে নানা ধরনের আচরণগত পরিবর্তন দেখা দেয়, যা সবসময় বাবা-মায়ের পছন্দ নাও হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে বকাঝকা বা শাস্তির বদলে ধৈর্য ধরে পাশে থাকা বেশি কার্যকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট শিশুদের মধ্যে ভালো-মন্দের পূর্ণ ধারণা সাধারণত গড়ে ওঠে না। এ কারণে তারা অকারণে দৌড়াদৌড়ি করা, শব্দ করা বা বড়দের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় অস্থির আচরণ করতে পারে। অনেক সময় জিনিসপত্র ছোড়া বা আক্রমণাত্মক আচরণও দেখা যায়। এসব ক্ষেত্রে কড়া শাসন সবসময় সমাধান নয়।

তারা আরও বলেন, শিশুরা সাধারণত ছয় বছর বয়সের পর থেকেই বড়দের কথা শোনার অভ্যাস গড়ে তোলে। পাশাপাশি পারিবারিক পরিবেশও তাদের আচরণ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘরে যদি নিয়মিত ঝগড়া বা উচ্চস্বরে কথা বলার অভ্যাস থাকে, তাহলে শিশুর মধ্যেও সেই আচরণ প্রতিফলিত হতে পারে।

আধুনিক প্যারেন্টিং ধারণা অনুযায়ী, সন্তানকে শুধু শাসন নয় বরং সময় দিয়ে ভালো-মন্দের পার্থক্য শেখানো উচিত। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অনেক সময় বাবা-মা কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় কাটাতে পারেন না, যা আচরণগত সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে।

সন্তান যদি কথা না শোনে, সেক্ষেত্রে করণীয় হিসেবে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, শিশুর সঙ্গে তার বয়স অনুযায়ী বন্ধুসুলভ আচরণ করা উচিত এবং তার কথা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এতে সে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে উৎসাহিত হবে।

এ ছাড়া সন্তানের সঙ্গে কথা বলার সময় চোখে চোখ রেখে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ, যা পারস্পরিক আস্থা তৈরি করে। একইসঙ্গে রাগ না দেখিয়ে শান্তভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে। প্রয়োজনে হাসি-মজার মাধ্যমে পরিবেশ হালকা রাখলে শিশুর মানসিক চাপ কমে আসে এবং সে সহজে বুঝতে পারে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর