শিশুর দিনের শুরু হোক পুষ্টিকর নাস্তায়
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ PM

শিশুর দিনের শুরু হোক পুষ্টিকর নাস্তায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২/০৬/২০২৬ ১০:২২:৪৩ AM

শিশুর দিনের শুরু হোক পুষ্টিকর নাস্তায়


শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দিনের প্রথম খাবার বা সকালের নাস্তা শিশুর সারাদিনের কর্মশক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। তাই সকালে এমন কিছু খাবার বেছে নেওয়া প্রয়োজন, যা একদিকে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে, অন্যদিকে শিশুর শরীরকে রাখবে সুস্থ ও সক্রিয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, কয়েকটি সহজলভ্য খাবার নিয়মিত সকালের নাস্তায় রাখলে শিশুর বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে।

বাদামে মিলবে পুষ্টির শক্তি
কাজুবাদাম শিশুদের জন্য একটি পুষ্টিকর খাবার। এতে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন ও ভিটামিন ই। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ কাজুবাদাম খাওয়ার অভ্যাস শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি এটি শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

কলা হতে পারে সকালের আদর্শ খাবার
সহজে হজম হয় এবং দ্রুত শক্তি জোগায়, এমন ফলের মধ্যে কলা অন্যতম। কলার স্মুদি কিংবা পাউরুটির সঙ্গে কলা শিশুর সকালের নাস্তায় রাখা যেতে পারে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। দীর্ঘ সময় ক্ষুধা না লাগতেও এটি সহায়ক।

আমলকির জ্যামে বাড়বে পুষ্টিগুণ
অনেক শিশু সকালে পাউরুটি খেতে পছন্দ করে। তাদের জন্য আমলকির মোরব্বা দিয়ে তৈরি জ্যাম হতে পারে স্বাস্থ্যকর বিকল্প। ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়ামে সমৃদ্ধ এই খাবার শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। পাশাপাশি হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি উপকারী বলে মনে করা হয়।

প্রতিদিনের ফলের তালিকায় থাকুক আপেল
আপেলকে বলা হয় পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শিশুর শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত আপেল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হতে পারে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান নিশ্চিত হয়।

দিনের শুরুতে এক গ্লাস হালকা গরম পানি
ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা গরম পানি পান করার অভ্যাস শিশুর জন্য উপকারী হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীরকে সতেজ রাখতেও ভূমিকা রাখে।

সুষম খাদ্যই সুস্থতার চাবিকাঠি
শুধু কয়েকটি খাবারের ওপর নির্ভর না করে শিশুর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রনসমৃদ্ধ বিভিন্ন খাবার রাখা জরুরি। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসই একটি শিশুর সুস্থ, সবল ও প্রাণবন্ত বেড়ে ওঠার অন্যতম ভিত্তি।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর