শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন

ওসমানীনগরে মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয়

৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আড়ালের চেষ্টা নিয়ে বিতর্ক

ওসমানীনগর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩/১০/২০২৬ ০৯:২২:৫৭ পূর্বাহ্ন

৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আড়ালের চেষ্টা নিয়ে বিতর্ক


সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয়কে ঘিরে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আজীবন দাতা সদস্য মনোনয়ন এবং পরিচালনা কমিটির কর্তৃত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের অর্থের হিসাব চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর পাল্টা অভিযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আড়াল করতেই পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের প্রকৃত দাতা সদস্যদের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে নতুন ব্যক্তিদের আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে আজীবন দাতা সদস্য করার বিষয়টিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এ ছাড়া নতুন সদস্য মনোনয়নের বিপরীতে বিদ্যালয়ের তহবিলে নির্ধারিত অর্থ জমা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয় পরিচালনার জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই কমিটিকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে নতুন করে ২০ জন দাতা সদস্য মনোনীত করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁদের নামের তালিকা বিদ্যালয়ে টানানো হয়। তবে মনোনয়ন প্রক্রিয়া ও অর্থ জমার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী আব্দুল মন্নান ও তাঁর স্ত্রী, মাসুক আলী ও তাঁর পিতা এবং আব্দুস সালাম ও তাঁর স্ত্রীকে আজীবন দাতা সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়। অন্যদিকে, বৈধভাবে আজীবন দাতা সদস্য মনোনীত হয়েছেন বলে দাবি করা আমিনুল হক রিপন, আব্দুল করিম ও সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল লেইসের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নতুন ২০ জন আজীবন দাতা সদস্য মনোনয়নের বিপরীতে বিদ্যালয়ের তহবিলে বিধি অনুযায়ী অর্থ জমা হয়েছে কি না, তা প্রকাশের দাবি জানিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৃথক আবেদন ও অভিযোগ দেওয়া হয়।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণধীর মোহন দেবকে শোকজ করা হয়। তিনি গত ১১ অক্টোবর লিখিতভাবে শোকজের জবাব ও ব্যাখ্যা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, অভিযোগ তদন্তে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। কমিটির সদস্যরা হলেন সিকন্দরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিপন সূত্রধর, কেএ জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ এবং নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান।

অভিযোগকারীদের দাবি, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় বিদ্যালয়ে আজীবন দাতা সদস্যদের তালিকা সরিয়ে শুধু দাতা সদস্যদের তালিকা টানানো হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তের বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আড়াল করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তাঁদের আরও দাবি, বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব দুইবার দেওয়া হলেও গত ৮ অক্টোবর আবারও হিসাব চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাল্টা অভিযোগ দেওয়া হয়। এতে বিদ্যালয়ের আর্থিক বিষয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে পাল্টা অভিযোগের বিষয়বস্তু ও এর পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসীদের উদ্যোগে ২০২০ সালে মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল খালিক এবং প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় একই গ্রামের আবুল লেইসকে।

২০২১ সালে আব্দুল খালিক যুক্তরাজ্যে চলে যান। বিদায় উপলক্ষে তাঁকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে বিধি অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হন ইউপি সদস্য শামছুল ইসলাম শামীম।

২০২৪ সালের জুন মাসে প্রধান শিক্ষক আবুল লেইস ছুটি নিয়ে কানাডায় চলে যান। যাওয়ার আগে তিনি বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব বশির মিয়ার কাছে হস্তান্তর করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর বশির মিয়া পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে না জানিয়ে হারুন মিয়াকে সভাপতি করেন। পরে বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে সভা করে সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল লেইসের দেওয়া আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করা হয়।

পরবর্তীতে বিদ্যালয় পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিষয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বশির মিয়া নিজের পছন্দের একজনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। ছুটি শেষে বিদ্যালয়ে ফিরে আবুল লেইস তাঁর পদে অন্য একজনকে দায়িত্ব পালন করতে দেখে হতাশ হন এবং পরে আবারও প্রবাসে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এরপর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছানা উল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা নিয়ে স্থানীয়দের নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। অভিযোগ রয়েছে, বশির মিয়ার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় সামনে আসার পর আগের হিসাব নিয়ে আবারও প্রশ্ন তোলা হয়। এ নিয়ে বিদ্যালয়ে সভার আয়োজন করা হলে সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামছুল ইসলাম শামীম পুনরায় হিসাব উপস্থাপন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয় পরিচালনায় নানা অনিয়মের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পারায় ছানা উল্লাহ চলতি বছরের শুরুতে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে দেন। পরে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান রণধীর মোহন দেব। অভিযোগকারীদের দাবি, বিদ্যালয় পরিচালনা নিয়ে বিরোধ ও অব্যবস্থাপনা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

বিদ্যালয় পরিচালনার অর্থের বড় একটি অংশ যুক্তরাজ্যপ্রবাসীদের কাছ থেকে আসত বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রবাসীদের একটি অংশ।

মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয় বাস্তবায়ন কমিটি ইউকের সদস্যরা এসব বিষয় নিয়ে যুক্তরাজ্যে একাধিক সভা করেন। তৎকালীন কমিটির সভাপতি ফজল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ খুকন বিদ্যালয় পরিচালনায় বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। তবে এরপরও বিদ্যালয়ে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, বশির মিয়ার ইন্ধনে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বাস্তবায়ন কমিটিতে বিভক্তি দেখা দেয়। পরে অন্য ব্যক্তিদের নিয়ে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রেখে সভা আহ্বান করে যুক্তরাজ্যে গঠিত বিতর্কিত মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয় উন্নয়ন কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিকা প্রকাশের পর অনাস্থা জানিয়ে ৩০ থেকে ৪০ জন অভিভাবক, ভূমিদাতা ও দাতা সদস্য সভাস্থল ত্যাগ করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠাকালীন মোবারকপুর উচ্চ বিদ্যালয় বাস্তবায়ন ও পরিচালনা কমিটি ইউকে পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে ফজল উদ্দিনকে সভাপতি, শিপন আহমদকে সাধারণ সম্পাদক এবং নুরুজ্জামানকে কোষাধ্যক্ষ করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

এলাকার সচেতন শিক্ষানুরাগীদের দাবি, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় ফজল উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিটি এবং বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি আব্দুল খালিকের পরিবারের পক্ষ থেকে জমি ও অবকাঠামো নির্মাণে উল্লেখযোগ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, আব্দুল খালিকের পরিবারের পক্ষ থেকে ২৬ শতক এবং তাঁর ভাই আলাউদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৫ শতক জমি দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের তিনটি ভবন নির্মাণেও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল বলে তাঁরা জানান।

তাঁদের অভিযোগ, এসব অবদানের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করা হচ্ছে।

এ ছাড়া, অ্যাডহক কমিটি থাকা সত্ত্বেও প্রবাসীদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিদ্যালয় উন্নয়ন কমিটির নামে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, মানিক মিয়াকে ওই কমিটির সভাপতি করার পর বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় আরও অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পূর্ণাঙ্গ চিত্র জানা যাবে।

বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও ইউপি সদস্য শামছুল ইসলাম শামীম বলেন, “আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ৪১ শতক জমি দান করা হয়েছে। আমাদের আত্মীয়স্বজনেরা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর দুই বছর সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করেছেন। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মানিক মিয়াসহ একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিদ্যালয় দখল করে কাগজপত্র গায়েব করা হয়েছে। বর্তমানে আজীবন দাতা সদস্য সংগ্রহ করে ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে আমরা অভিযোগ করছি। আমি ও এলাকাবাসী ওই অর্থের হিসাব চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এবং অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি আড়াল করতে পাল্টা অভিযোগ দিয়ে আমার পরিবারের সদস্যসহ এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিদের মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা আইনি প্রতিকার চাইব।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণধীর মোহন দেব বলেন, “কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে আজীবন দাতা সদস্য নির্বাচন করা হবে।”

আজীবন দাতা সদস্যদের তালিকা সরিয়ে শুধু দাতা সদস্যদের তালিকা টানানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “কে বা কারা এটি করেছে, তা আমার জানা নেই।”

তদন্ত কমিটির সদস্য ও কেএ জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মামুনুর রশিদ বলেন, “আমরা ১০ অক্টোবর সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছি। লিখিতভাবে তা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।”

তবে বিদ্যালয়ে পরিদর্শনের সময় শুধু দাতা সদস্যদের তালিকা পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদিউজ্জামান আহমদ বলেন, তদন্ত কমিটি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে। শিগগিরই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গত ৮ অক্টোবর পাল্টা অভিযোগ দেওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলেও জানান তিনি।

বিদ্যালয়ের আর্থিক হিসাব, আজীবন দাতা সদস্য মনোনয়ন এবং পরিচালনা নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে এখন তদন্ত প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটিত হবে এবং বিদ্যালয়ের আর্থিক স্বচ্ছতা ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আজকের সিলেট / জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর