শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

মানব পাচার মামলার আসামি হানিফ গ্রেফতার, বিরুদ্ধে আরও পাঁচ মামলা

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০/১০/২০২৬ ১১:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন

মানব পাচার মামলার আসামি হানিফ গ্রেফতার, বিরুদ্ধে আরও পাঁচ মামলা


সিলেটের জৈন্তাপুরে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দুই নারীকে ভারতে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় আসামি হানিফ মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার আলুবাগান এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের একটি দল।

গ্রেফতার হানিফ মিয়া জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবির হাওর গ্রামের মৃত ছায়েদ আলীর ছেলে।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান মোল্লা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেফতার আসামিকে শুক্রবার পুলিশ পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হবে। হানিফ মিয়ার বিরুদ্ধে মানব পাচার সংক্রান্ত আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে। জৈন্তাপুর সীমান্তে মানব পাচার প্রতিরোধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর নড়াইল সদর থানার বাহিরগ্রাম এলাকার বাসিন্দা সাগরিকা বেগম (৩৯) সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে আসেন। সেখানে নাছরিন বেগম নামে আরেক নারীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁরা একসঙ্গে জাফলং ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জাফলং পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাঁদের একটি মাইক্রোবাসে তোলা হয়। পরে ভারতে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখানো হয়। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁদের জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের ডিবির হাওর এলাকার শাপলা বিলে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে হানিফ মিয়াসহ কয়েকজন তাঁদের ভারতে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে ভারতে পাচারের আশঙ্কা তৈরি হলে দুই নারী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আসেন।

পরে সাগরিকা বেগম জৈন্তাপুর মডেল থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে হানিফ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আজকের সিলেট/ জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর