এক প্রান্তে উইকেটের পতন, অন্য প্রান্তে অবিচল তাওহিদ হৃদয়। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার ভিড়ে একাই লড়াই চালিয়ে গিয়ে সিলেট টেস্টে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন এই ব্যাটার। মাত্র তৃতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই প্রথম শতকের দেখা পেলেন তিনি।
দিনের প্রথম সেশনে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক পূর্ণ করার পর নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিও তুলে নেন হৃদয়। ১০৯ বলে ৪টি চারের সাহায্যে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এরপর ১৭১ বলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় পৌঁছান তিন অঙ্কের ঘরে।
হৃদয়ের সেঞ্চুরির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৭ উইকেটে ২০৫ রান। তখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৩৫৬ রানের সংগ্রহ থেকে ১৫২ রান পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের অন্য ব্যাটাররা উইকেটে থিতু হতে না পারলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে রান তুলেছেন হৃদয়। অযথা উইকেট বিলিয়ে না দিয়ে তাঁর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়েই দুইশ রানের গণ্ডি পেরিয়েছে দলের সংগ্রহ।
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে অপরাজিত ছিলেন তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। তাঁদের ব্যাটে ভর করে দল ঘুরে দাঁড়াবে এমন প্রত্যাশায় ছিল বাংলাদেশের সমর্থকেরা। কিন্তু ৩৪ রান করে মুশফিক সাজঘরে ফিরলে সেই আশায় ধাক্কা লাগে।
এরপর ৮ রান করে লিটন কুমার দাস এবং ১৬ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজও উইকেট হারান। অন্য প্রান্তে সতীর্থদের বিদায় দেখতে দেখতে নিজের ব্যাটিংয়ে অবিচল থেকে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়।
তবে দলের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে করা ৩৫৬ রান ছাড়িয়ে যাওয়া বাংলাদেশের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। চোটের কারণে সাদমান ইসলাম এই টেস্টের বাইরে চলে গেছেন। ফলে একজন ব্যাটার কম নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। স্বীকৃত ব্যাটারদের মধ্যে এখন উইকেটে টিকে আছেন শুধু তাওহিদ হৃদয়।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
ক্রীড়া ডেস্ক 








