সিলেট অঞ্চলের প্রথম অনলাইন নিবন্ধিত সংবাদমাধ্যম ‘আজকের সিলেট’ আজ তার ১৪ বছরে পদার্পণ করেছে। ২০১১ সালের ২৪ অক্টোবর “সিলেটের তথ্য বিশ্বজুড়ে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পত্রিকাটির পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পাঠকের ভালোবাসা অর্জনের পর ২০১২ সালের ৪ জুন ‘আজকের সিলেট’ আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করে।
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে, সাংবাদিকতায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ‘আজকের সিলেট’ সিলেট বিভাগের মানুষের কথা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আঞ্চলিক সংবাদ থেকে শুরু করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ এবং মতামত প্রকাশের মাধ্যমে আজকের সিলেট অল্প সময়েই পাঠকপ্রিয়তায় এগিয়ে যায়।
১৪ বছরের এ দীর্ঘ যাত্রায় সংবাদমাধ্যমটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, নিরপেক্ষতা ও পাঠকের চাহিদার প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ থেকেছে। একঝাঁক তরুণ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিকের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই টিম সময়ের সাথে সাথে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সংবাদ উপস্থাপনার ধরণে এনেছে বৈচিত্র্য।
আজকের সিলেট শুধুমাত্র একটি গণমাধ্যমই নয়, বরং এটি একটি পরিবার। এখানে সম্পাদক থেকে শুরু করে অফিস সহকারী পর্যন্ত সকলের সমান গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় পরিষদ হোক আর পরিচালনা পরিষদ সকলের মতামতে গুরুত্ব দেন।
আমাদের পরিচালনা পরিষদের চার জন্য সদস্যের মধ্যে একজনকে আমি পাইনি। বাকি তিনজন সদস্যই সম্পাদনা পরিষদে রয়েছেন। কাজের ক্ষেত্রে তারা মিলেমিশে একাকার হয়ে যান আমাদের সাথে। বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে শুরু করে জুনিয়র কর্মীরাও যেন এক অদৃশ্য বন্ধনে আবদ্ধ।
সম্পাদক রজত চক্রবর্তী ও প্রধান সম্পাদক সাইফুর তালুকদার কাজের ক্ষেত্রে যেমন খুবই কঠোর, তেমনি স্নেহমমতায় যেন আপন ভাইয়ের মতো। এতো দিনে কখনো কাজ করছি মনে হয়নি, সব সময় মনে হয় যেন শিখছি। আমাদের যুগ্ন সম্পাদক সাদিক চৌধুরীর কথা তো না বললেই নয়, সময় মতো কাজ তুলে দিতে হবে, অন্যতায় শাশন তো আছেই। আর সহকারী সম্পাদক মিজান ভাই তো প্রতিটি নিউজের বানান একটি একটি করে দেখেন। সব মিলিয়ে বলা যায়, এটি শুধুমাত্র গণমাধ্যমই নয়, বরং স্নেহ মমতায় ভরা একটি পরিবার।
আজকের এই দিনে ‘আজকের সিলেট’ পরিবার পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে, যাদের সহযোগিতা ও সমর্থনে আজকের সিলেট একটি গ্রহণযোগ্য অনলাইন পত্রিকায় পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিজ্ঞাপননির্ভরতা ও রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা করেও গত ১৪ বছর ধরে সততা ও পেশাদারিত্ব ধরে রাখার প্রয়াসে যেভাবে ‘আজকের সিলেট’ এগিয়ে চলছে, তা বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতায় একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
(লেখক : নিজস্ব প্রতিবেদক, আজকের সিলেট)
আহমেদ পাবেল 








