বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকলেও ৪-৫ দিন ধরে শ্রাবণের প্রচন্ড খরতাপে পুড়ছে সিলেট। রোদে বেরোলেই যেন শরীরে লাগছে আগুন, পুড়ছে শরীরের চামড়া। এ অবস্থায় চরম কষ্টে আছে খেটে খাওয়া মানুষ। বিশেষ করে রিকশা-ভ্যান চালক ও দিনমজুররা তীব্র গরমে করছেন হাঁসফাঁস খাচ্ছে।
শনিবার সকালে সিলেটে তাপমাত্রা ছিলো ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরে আগে শুক্রবার ছিলো ৩৭ ডিগ্রির উপরে এবং বৃহস্পতিবারও ছিলো এমন তাপমাত্রা।
দেশে সাধারণত মার্চ-জুন মাসে গরম বেশি থাকে। তবে এবার সিলেটে ফেব্রুয়ারি থেকে তাপ ছড়াতে শুরু করে সূর্য। মে মাসে সিলেটে এক দশকের ভঙ্গ করেছিলো তাপমাত্রা। ২৫ মে বিকাল ৩টায় সিলেটে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস: যা চলতি বছরের- এমনকি ১০ বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো। এর আগে সিলেটে ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্র রের্কড হয়েছিলো।
এ বছর সূর্য তাপ ছড়াতে শুরু করলেই সেলসিয়াস ৩৫-৩৬ ডিগ্রিতে উঠে যায়। ফলে সিলেটে জনজীবন অতীষ্ট হয়ে পড়েছে।
এদিকে, সমুদ্রে সৃষ্ট লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সিলেট বিভাগে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাতে দেয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
এ অবস্থায় সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।
এ সময় সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ কিছু কিছু জায়গায় প্রশমিত হতে পারে।
সিলেটে তীব্র তাপদাহ:
নিজস্ব প্রতিবেদক 








