জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এ দিনে বিভিন্ন নফল আমলের পাশাপাশি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার প্রতি হাদিসে বিশেষভাবে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে ঈমানদাররা, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং বেশি পরিমাণে সালাম পাঠ করো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)
হাদিসে একবার দরুদ পাঠের ফজিলতও বর্ণিত হয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তাঁর প্রতি একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি ১০টি রহমত বর্ষণ করেন। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৪৮৫)
আওস ইবন আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন দিনগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তাই এ দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে বলেছেন। তিনি আরও জানান, মানুষের পাঠ করা দরুদ তাঁর কাছে পেশ করা হয়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭)
আরেক বর্ণনায় আনাস ইবন মালেক (রা.) থেকে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) জুমার দিন ও জুমার রাতে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে বলেছেন। যে ব্যক্তি একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর ১০টি রহমত নাজিল করেন। (সহিহুল জামে, হাদিস: ১২০৯)
তাই জুমার দিনে অন্যান্য ইবাদতের পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। দরুদ পাঠের মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রকাশের পাশাপাশি আল্লাহর রহমত লাভের আশাও করা যায়।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
ধর্ম ও জীবন ডেস্ক 








