ফেসবুকে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি, পরিচিত নাম-লোগো ব্যবহার করে বিভ্রান্তি
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৬ AM

ফেসবুকে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি, পরিচিত নাম-লোগো ব্যবহার করে বিভ্রান্তি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭/১০/২০২৬ ০৫:৩৭:৪৪ PM

ফেসবুকে ভুয়া ফটোকার্ডের ছড়াছড়ি, পরিচিত নাম-লোগো ব্যবহার করে বিভ্রান্তি


ফেসবুকের নিউজফিডে চোখ রাখলেই দেখা মেলে নানা সংবাদ ও বক্তব্যের ফটোকার্ড। কোনোটি সত্যিকারের গণমাধ্যম বা ব্যক্তির পেজ থেকে প্রকাশিত, আবার কোনোটি দেখতে হুবহু আসলের মতো হলেও আদতে সম্পূর্ণ ভুয়া। পরিচিত ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা, সংবাদমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠানের নাম, ছবি, লোগো, ফন্ট ও ডিজাইন ব্যবহার করে তৈরি এসব ফটোকার্ডে ছড়ানো হচ্ছে মনগড়া তথ্য ও কাল্পনিক বক্তব্য।

সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে আসল-নকলের পার্থক্য বোঝা কঠিন হওয়ায় যাচাই ছাড়াই এসব কার্ড ছড়িয়ে পড়ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এমনকি সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত অনেক ব্যক্তিও কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব কার্ড যাচাই না করেই নিজেদের আইডি বা পেজে শেয়ার করছেন। ফলে একটি পোস্ট থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিভ্রান্তিকর তথ্য পৌঁছে যাচ্ছে হাজারো মানুষের কাছে।

ভুয়া ফটোকার্ডের এই প্রবণতা থেকে বাদ পড়ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ভুয়া আইডি ও পেজ। এসব অ্যাকাউন্ট থেকে এমন সব বক্তব্যের ফটোকার্ড ছড়ানো হচ্ছে, যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রকৃত বক্তব্যের কোনো সম্পর্ক নেই।

তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানসহ পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামেও এমন একাধিক পেজ ও অ্যাকাউন্ট দেখা যায়। এসব অ্যাকাউন্টের নাম, প্রোফাইল ছবি, কভার ছবি ও পোস্টের ধরন এমনভাবে সাজানো হয়, যাতে সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে সেগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের অনুমোদিত পেজ বলে মনে হতে পারে।

কখনো কোনো পরিচিত ব্যক্তির পুরনো ছবি নিয়ে তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ কাল্পনিক বক্তব্য। আবার বাস্তবে দেওয়া কোনো বক্তব্যের অংশবিশেষের সঙ্গে নতুন কথা যোগ করে তৈরি করা হচ্ছে বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড। ফলে একটি বক্তব্য সত্য কি না, তার পাশাপাশি সেটি আদৌ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কি না সেটিও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

শুধু ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়, প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করেও তৈরি হচ্ছে অসংখ্য ভুয়া পেজ। প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ, আমার দেশ, কালবেলা, নয়া দিগন্ত, যমুনা টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের নাম, লোগো, ফন্ট, রং ও নকশা নকল করে এসব পেজ পরিচালনা করা হচ্ছে।

এসব পেজ থেকে তৈরি করা ফটোকার্ড অনেক সময় মূল সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত কার্ডের মতোই দেখতে। ফলে কার্ডটি আসল না নকল তা যাচাই না করেই অনেকে শেয়ার করছেন।

ভুয়া কার্ড তৈরির এই কৌশলে মূলধারার গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থাকেই ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন তথ্য যাচাইকারীরা। পরিচিত একটি সংবাদমাধ্যমের লোগো দেখেই অনেক ব্যবহারকারী কার্ডটিকে সত্যিকারের সংবাদ বলে ধরে নিচ্ছেন।

ডিজিটাল অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডিসেন্ট’-এর সম্পাদক ও ফ্যাক্ট-চেকার কদরুদ্দিন শিশির ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমের লোগো জালিয়াতি ও অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বর্তমানে অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের দায়িত্বই সবচেয়ে বেশি। সরকার, সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত ও সৎ সদিচ্ছা থাকলে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও বাস্তবে প্রয়োজনীয় সদিচ্ছার অভাবে এই সংকট সহজে নিরসন হওয়ার সম্ভাবনা কম।’

ফ্যাক্টচেকিং সংস্থা ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়ার হার বাড়তে শুরু করে। বাংলাদেশের গত সংসদ নির্বাচনের আগে এর প্রবণতা আরও বেড়ে যায়।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজনৈতিক অপতথ্য ছড়ানোর অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে সংবাদমাধ্যমের আদলে তৈরি এসব ভুয়া ফটোকার্ড।

ডিসমিসল্যাবের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছড়ানো মোট রাজনৈতিক অপতথ্যের প্রায় অর্ধেকই এসব ভুয়া ফটোকার্ডের মাধ্যমে ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক কোনো ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি কিংবা উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ভুয়া ভাষ্য ছড়াতে এগুলো ব্যবহার করা হয়েছে।

একই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের যাচাইয়ে ৬৯০টি আলাদা ভুয়া ফটোকার্ড শনাক্ত হয়েছে। এর অনেকগুলোই আমার দেশ, কালের কণ্ঠ, নয়া দিগন্ত ও যমুনা টেলিভিশনের মতো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের আদলে তৈরি। শনাক্ত এসব কার্ডের প্রায় অর্ধেক রাজনৈতিক অপতথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

রাজনৈতিক পক্ষগুলো প্রতিপক্ষকে হেয় করতে এবং নিজেদের জনপ্রিয়তা নিয়ে অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা দাবি প্রচার করতেও এসব ফটোকার্ড ব্যবহার করছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

গত সেপ্টেম্বরে সংসদে দেওয়া তথ্যে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ১৩৭টি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং ইউনিট বাংলাফ্যাক্ট।

একই সময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো আরও শতাধিক ফেসবুক ও এক্স অ্যাকাউন্ট এবং গণমাধ্যমের আদলে তৈরি ১৬টি ওয়েবসাইট শনাক্তের তথ্যও জানানো হয়।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ২৭৫টি ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে ২৪০টি প্রতিবেদনের মাধ্যমে এসব ভুল তথ্যের ফ্যাক্টচেক প্রকাশ করা হয়েছে।

ভুয়া ফটোকার্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে এর দ্রুত বিস্তার। কোনো একটি পেজ বা ব্যক্তির পোস্ট থেকে একটি কার্ড ছড়িয়ে পড়ার পর সেটি পরিচিত বা প্রভাবশালী কেউ শেয়ার করলে সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে তার বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বেড়ে যায়।

এরপর একই কার্ড ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন পেজ, গ্রুপ, ব্যক্তিগত আইডি ও মেসেঞ্জার গ্রুপে। ফলে একটি ভুয়া তথ্যের বিস্তার ঘটতে সময় লাগে মাত্র কয়েক মিনিট।

কদরুদ্দিন শিশির বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তচিন্তা, বাকস্বাধীনতা ও বিনোদনমূলক মিম বা কনটেন্ট তৈরির অধিকার থাকলেও সেখানে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও সীমারেখার বাধ্যবাধকতা থাকা প্রয়োজন। মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যমের পরিচিতি ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ব্যক্তির নামে অসত্য বক্তব্য ছড়ানো সম্পূর্ণ অন্যায্য। এ ধরনের কনটেন্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে স্পষ্ট ডিসক্লেমার বা সতর্কবার্তা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘সংগঠিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পেইজ বা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সমাজে ক্ষতিকর অপতথ্য ছড়ানো রোধে প্রথমে সতর্ক করা এবং পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। তবে বাংলাদেশে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হলো নিরপেক্ষতার অভাব এবং আইনের রাজনৈতিক অপব্যবহার। সরকারপন্থী ও বিরোধী পক্ষের ক্ষেত্রে দ্বিমুখী নীতি না রেখে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক পক্ষপাতহীন ও ন্যায়সঙ্গত উপায়ে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

ডিজিটাল অপপ্রচারের প্রধান শিকার কারা এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল অপপ্রচারের প্রধান শিকার রাজনৈতিক অঙ্গনের লোকজন। সরকারপক্ষ, বিরোধী দল এবং প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। একইসঙ্গে প্রতিটি পক্ষই পাল্টা অপপ্রচারের ভিকটিম বা শিকার হচ্ছে।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ছবি ব্যবহার করা হলেই সেটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত পেজ এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

কোনো ফটোকার্ড দেখার পর সরাসরি শেয়ার না করে প্রথমে দেখতে হবে সেটি কোন পেজ বা অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ও ভেরিফায়েড পেজে একই তথ্য রয়েছে কি না, তা মিলিয়ে দেখা জরুরি।

কোনো সংবাদমাধ্যমের নামে কার্ড হলে ওই গণমাধ্যমের ওয়েবসাইট ও অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে গিয়ে খবরটি খুঁজে দেখা উচিত। একই বক্তব্য বা সংবাদ অন্য নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা যেতে পারে।

কার্ডের ভাষা, বানান, ফন্ট, লোগোর অবস্থান, তারিখ কিংবা শিরোনামের ধরনেও অস্বাভাবিকতা থাকতে পারে। তবে শুধু এসব বৈশিষ্ট্য দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে মূল উৎস খুঁজে বের করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শাহ আলম।

তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘অপরাধ প্রমাণিত হলে বিভিন্ন মেয়াদে যেমন- পাঁচ, সাত, এমনকি ১০ বছরের সাজাও হতে পারে। একাধিক অপরাধ থাকলে একাধিক মেয়াদের শাস্তি। সেকশন ভিন্ন ভিন্ন। তিন বছর, সাত বছর, ১০ বছর বিভিন্ন মেয়াদের। অপরাধের ওপর ডিপেন্ড করেই সাজাগুলো হয়ে থাকে।’

সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের ঘটনায় মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুইভাবে মামলা করা যায়। এক হচ্ছে- সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করা যেতে পারে। আদালতে একটা আলাদা সাইবার ট্রাইব্যুনাল আছে। এই ট্রাইব্যুনাল আবার সব জায়গায় পাওয়া যাবে না, বিভাগীয় সদর দফতরে আছে। অন্যটি হলো- থানায় গিয়ে একটা জিডি করে রাখা বা অভিযোগ দেওয়া।’

শাহ আলম বলেন, ‘জিডি করে রাখা বা অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাইবার ট্রাইব্যুনাল বা সাইবার সিকিউরিটি টিম সিআইডিতে অনলাইনে অভিযোগ করা যায়। এরপর তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবেন সংশ্লিষ্টরা। যদি সত্যতা পায়, তবে অভিযুক্ত অ্যারেস্ট হবেন। তখন সেকশন অনুযায়ী সাজা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘৪২০ ধারায়ও মামলা হতে পারে। সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাইবার আইন অনুযায়ী বিভিন্ন আলাদা সেকশন আছে, সেটির ধারা অনুযায়ী অপরাধীদের পানিশমেন্ট হয়।’

ফেসবুকে অন্যের নামে ভুয়া আইডি খোলার শাস্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘পেনাল্টি, অর্থদণ্ড এবং সাজা হয়। সেকশন একেকটা, কী অপরাধ করছে ওইটার ওপর ভিত্তি করে, ওই সেকশন অনুযায়ী সাজা হয়।’

ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম-ছবি ব্যবহার করে তৈরি একটি ফটোকার্ড চোখে পড়লেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে রাজনৈতিক ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের নামে তৈরি কার্ডের ক্ষেত্রে মূল উৎস যাচাই করা জরুরি। কারণ একটি ভুয়া বক্তব্য যেমন কোনো ব্যক্তির ভাবমূর্তি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তেমনি নকল লোগো ও ডিজাইনের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।

আজকের সিলেট/ জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর