শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী আবহে সিলেটে তিন দিনব্যাপী মহালয়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের সম্মাননা জানানো হয়েছে। শনিবার মহালয়া উদযাপন পরিষদ শ্রীহট্টের আয়োজনে সিলেট নগরের মিরাবাজারস্থ শ্রীশ্রী বলরাম জিউর আখড়ায় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই ফুলের তোড়া দিয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক এবং বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার সদস্য সচিব রজত কান্তি চক্রবর্তীকে ও জৈন্তাপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ সিলেট জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সদস্য প্রণত কান্ত দেবকে সম্মান জানানো হয়।
শারদীয় দুর্গোৎসবের আবহে আয়োজিত এ সম্মাননা পর্বে গুণীজনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি প্রকাশ পায়। এতে ধারাবাহিক ভাবে গুণীজনদের সম্মাননা জানানো হয়।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে রজত কান্তি চক্রবর্তী বলেন, “আজ মহালয়ার মাধ্যমে ধরাধামে মায়ের আগমনে দুর্গোৎসবের সূচনা হলো। মহালয়া বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে আনন্দ, ভক্তি ও আশার এক বিশেষ মুহূর্ত। এই আয়োজন ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আমি আশাবাদী। মহালয়া উদযাপন পরিষদ শ্রীহট্টের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”
উল্লেখ্য, মহালয়া উদযাপন পরিষদ শ্রীহট্টের আয়োজনে এবার তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পরিষদের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষেও এবারের আয়োজন পেয়েছে বিশেষ মাত্রা। পূজা-অর্চনা, সমবেত চণ্ডীপাঠ, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং গুণীজনদের সম্মাননার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শারদীয় উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
শঙ্খধ্বনি আর চণ্ডীপাঠের পবিত্র সুরে মহালয়ার এই আয়োজন হয়ে উঠেছে ভক্তি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির মিলনমেলা। গুণীজনদের সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ও প্রকাশ পেয়েছে।
আজকের সিলেট / জেকেএস









