সিকৃবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের হাতাহাতি, সাংবাদিকের ফোন থেকে ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ PM

সিকৃবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের হাতাহাতি, সাংবাদিকের ফোন থেকে ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ

সিকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০/০৯/২০২৬ ১০:৩৭:৩৬ AM

সিকৃবিতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের হাতাহাতি, সাংবাদিকের ফোন থেকে ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ


সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) নতুন উপাচার্যকে বরণ করার পর ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিককে হেনস্তা, হুমকি এবং বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে।

ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (সিকৃবিসাস)।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নতুন উপাচার্যকে অভ্যর্থনা জানানোর পর তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে তা বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় ঘটনার ছবি তুলতে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে গেলে সিকৃবি সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক আইনুল হকের দিকে আক্রমণাত্মকভাবে এগিয়ে আসেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হাসান ফাহাদ, আনাম সরকার মুন, সদস্য রাজেশ বাছাড়সহ কয়েকজন নেতা।

অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় আইনুল হককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং জোর করে তাঁর মুঠোফোন থেকে ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করা হয়।

আইনুল হক জানান, সংঘর্ষের আশঙ্কার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর ছবি, ভিডিও ও সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করছিলেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এ সময় জাহিদ হাসান ফাহাদ, আনাম সরকার মুন, রাজেশ বাছাড়সহ কয়েকজন তাঁর দিকে তেড়ে আসেন। পরে ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি তাঁকে মুঠোফোনে থাকা সব ছবি ও ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করেন।

সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে এ ধরনের হস্তক্ষেপ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের তথ্য জানার অধিকারও ক্ষুণ্ন করে বলে মন্তব্য করেন আইনুল হক। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি। তিনি বলেন, ‘এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা সমস্যা হয়। পরে সেটার সে ভিডিও করছিল। শিক্ষার্থীরা তার ফোন থেকে ছবি, ভিডিও ডিলিট করে। সেখানে আমি ছিলাম না। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা টিকটিকি মারা গেলেও আমার নাম আসে।’

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজকের সিলেট/ জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর