পাঁচ দফা দাবি আদায়ে সিলেটে মঙ্গলবার থেকে পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির ঘোষণা রোববারই দেওয়া হয়েছিলো। ওইদিন ‘সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন বাস-মিনিবাস, কোচ-মাইক্রেবাস, ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান, সিএনজি, ইমা-লেগুনা ও পাথর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’ প্রশাসনের উর্ধনত কর্মকর্তাদের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে সকাল থেকে সর্বাত্মক অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছে। তবে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি ও জামায়াত নেতা লোকমান আহমদ জানিয়েছেন, আহুত শ্রমিক কর্মবিরতি ও ধর্মঘটে তারা অংশ নেবেন না। বরং তাদের মালিকানাধীন যানবাহন সড়কে চলাচল করবে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্রমিকদের একাংশ আয়োজিত পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। তবে ধর্মঘটনের শুরুতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। ঢিলেঢালা ভাবে চলা ধর্মঘটে সকাল পৌনে ৯টার দিকে নগরীর উপশহর পয়েন্ট, সোবহানীঘাট পয়েন্ট, বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা সহ বেশ কিছু এলাকায় পণ্য ও গণপরিবহন চলতে দেখা গেছে।
এদিকে, গতকাল ধর্মঘট সফল করতে সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন বাস মিনিবাস মালিক সমিতি এবং সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন বাস-মিনিবাস, কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
এরআগে রোববার রাতে দক্ষিণ সুরমা বাস টার্মিনালে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির জরুরী সভা শেষে লোকমান আহমদ লোকমান আহমদ দাবি করেন, চলমান কর্মবিরতি ও ধর্মঘট প্রকৃতপক্ষে মালিক ও শ্রমিকদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে আহ্বান করা হয়নি। বরং এটিকে ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যারা শ্রমিকদের ব্যবহার করে পাথর কোয়ারির আন্দোলন করছেন, তারা পরিকল্পিতভাবে শ্রমিকদের প্রশাসনের মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছেন। এটি সুস্পষ্টভাবে একটি দুরভিসন্ধিমূলক অপচেষ্টা।
অপরদিকে, ধর্মঘট প্রত্যাখানের ঘোষণা দেওয়া জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি লোকমান আহমদ দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা।
ফলে, এই ধর্মঘট ঘোষণা ও প্র্রত্যাখানকে বিএনপি জামায়াত নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ বলেও দেখছেন অনেকে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিজস্ব প্রতিবেদক 








