নগরের কয়েকটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এসময় বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত এ অভিযান চলে।
আদালতের নেতৃত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. পারভেজ। অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সিলেট জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত ও মেডিকেল অফিসার ডা. আবু শর্মা।
সিলেট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সিলেট মহানগরের লামাবাজার, মীর্জাজাঙ্গাল ও স্টেডিয়াম এলাকার ৮টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে ৬টি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণহীন লোক দিয়ে স্যাম্পল কালেকশন, অযোগ্য টেকনিশিয়ান ও ডাক্তার দিয়ে সেবা দেওয়ার সত্যতা পাওয়া। পরে এগুলোকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এ ছাড়া একটি হাসপাতালে করা হয়েছে সিলগালা।
জারিমানাকৃত হাসপাতালগুলোর মধ্যে মির্জাজাঙ্গালস্থ আল-কাওছারের কোনো কাগজপত্র নবায়নকৃত নেই। নেই ডাক্তার। মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট দিয়ে রোগীদের দেওয়া হয় স্বাস্থ্যসেবা। এমনকি অপারেশনও করে ফেলা হয় অযোগ্য এসব ডাক্তার দিয়ে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতালটির কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
অপরদিকে, একই এলাকার সেফওয়ে হাসপাতালকে সিলগালা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাসপাতালটিকে আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো। তবু তারা নবায়ন করেনি লাইসেন্স। মঙ্গলবার সেটি সিলগালা করে দুদিনের মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া লামাবাজার, মীর্জাজাঙ্গাল ও স্টেডিয়াম এলাকার ৫টি হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্যাম্পল কালেকশন, অযোগ্য টেকনিশিয়ান ও ডাক্তার দিয়ে সেবা দেওয়ার সত্যতা পাওয়ায় অর্থদণ্ড করা হয়।
৬টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানায় সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ ও আনসার ব্যাটেলিয়নের টিম সহযোগিতা করেছে।
আজকের সিলেট/ডি/এন.ই
নিজস্ব প্রতিবেদক 








