জমে ওঠেছে ঈদ বাজার
বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৮

ঈদবাজারের চাপে নগরজুড়ে তীব্র যানজট

জমে ওঠেছে ঈদ বাজার

পাবেল আহমদ

প্রকাশিত: ৩০/০৩/২০২৪ ১০:৩০:১৮

জমে ওঠেছে ঈদ বাজার

ছবি: শিপন চন্দ্র জয় ও তাহমিদ আহমদ


জমে ওঠছে সিলেটের ঈদ বাজার। নগরীর বিভিন্ন শপিংমলের বিক্রেতারা বাজ বলছেন, এখনও ক্রেতার সংখ্যা কম। তবে সন্ধার পর প্রতিনিদই ভীড় বাড়ছে।

ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের আকর্ষণে বর্ণিল আলোয় সেজে উঠেছে সিলেট নগরীর সবগুলো শপিং মল, সুপার মার্কেটসমূহ, বিভিন্ন শপিং মলে ইতোমধ্যে ক্রেতাদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠতে শুরু করেছে। তবে ঈদের এখনো অনেক সময় বাকি থাকায় এখনো বেচাবিক্রি জমে ওঠেনি মার্কেট গুলোতে। ক্রেতারা ইফতার পর আসলে ও তেমন কিছু কিনতে দেখা যাচ্ছে না।

সরেজমিন নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর সবগুলো পারে শপিং মলগুলো বিভিন্ন রঙিন আলোয় সজ্জিত করেছেন মার্কেট কমিটি। নগরীর অভিজাত শপিং মল হিসেবে পরিচিত ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটি, বাকলী শপিং সেন্টার, সিটি সেন্টার, আল-হামরা শপিং সেন্টার, সিলেট প্লাজা, নয়াসড়ক ও কুমারপাড়ায় অবস্থিত প্রায় সবকটি ফ্যাশন হাউসসহ বিভিন্ন মার্কেট ঈদকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে।

রমজানের ১৯ দিন চলে গেলেও সিলেটে ঈদের বাজার এখনও জমে ওঠেনি। তবে অনেক ক্রেতা এখন ফাঁকা মার্কেটে এসে দেখছে কিন্তু কিনছে না।  

জিন্দাবাজারস্থ সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী খায়রুল আলম জানান, এ বছর ক্রেতাদের চাপ একটু বেশি হবে; যা আগে থেকেই ধারণা করেছিলেন। তাই গত বছরের তুলনায় ঈদকে কেন্দ্র করে এবার ব্যবসায়ীরা মালও বেশি এনেছেন। গত কয়েক বছরের ঈদ বাজারের তুলনায় এবার ভালো ব্যবসা হবে। সবমিলিয়ে এবার বেচা-বিক্রিতে ব্যবসায়ীরা খুশি।     

জিন্দাবাজরের কাজী ম্যানশন থেকে কাপড় ক্রয় করেছেন কলেজ ছাত্র রিপন আহমদ। তার ভাষ্য, এই মার্কেট থেকে সব সময় কাপড় ক্রয় করেন। এবারও ঈদ উপলক্ষে বন্ধুদের সঙ্গে এসে কাপড় কিনছেন। তবে কাপড়ের দাম এবার বেশি নিয়েছে বলে জানান।   

লতিফ সেন্টারের কসমেটিক ও জুয়েলারি ব্যবসায়ী জায়েদ জানান, ১০ রমজানের পর থেকেই দোকানে ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ বছর গত কয়েক বছরের তুলনায় বেচাকেটা ভালো হচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে কাস্টমারের ভিড়। 

পূর্ব জিন্দাবাজারের কাপড় ব্যবসায়ী আকিব জানান, ঈদ মানেই নতুন পোশাক। তাই ক্রেতাদের আকর্ষণে এবারও পোশাকে রঙ ও ডিজাইনে ভিন্নতা মাথায় রেখে এসেছে নতুন কালেকশন। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা পোশাক দিতে পারছি। এ বছর সুতির কাপড়গুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে। ছোটদের জন্যও রয়েছে নানা ডিজাইনের কাপড়, সাথে আছে সব বয়সীদের জন্য বাহারি কালেকশন।