চলমান ছাত্র আন্দোলন পরবর্তী সহিংসতায় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ক্ষতি হয়েছে ১২ কোটি টাকা। দুর্বৃত্তদের হামলা ভেঙেছে সিসিক ভবনের গ্লাস ও ভাঙা হয়েছে বর্জ্যের গাড়ি। যার ফলে ব্যাহত হয়েছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। পুরো মহানগর পরিণত হয়েছে ময়লার বাগাড়ে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। সিটি করপোরেশন বলছে, মহানগরকে বর্জ্য মুক্ত করতে দুই-একদিন সময় লাগতে পারে।
আওয়ামী সরকারের প্রধনমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর সিলেটের বিভিন্ন স্থাপনায় আক্রমণ করে কিছু দুর্বৃত্তরা। দুর্বৃত্তদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি সিলেট নগরভবনও। সোমবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বেশ কয়েকবার হামলা করা হয় সিলেটে সিটি করপোরেশনে। দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইটপাটকেলে ভেঙে যায় সিসিক ভবনের গ্লাস। এছাড়া ভাঙা হয় সবকটি বর্জ্যের গাড়ি। একই সাথে ভয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজে না আসায় পুরো মহানগর পরিণত হয়েছে ময়লার বাগাড়ে।
রাস্তায় যত্রতত্র ময়লা পড়ে থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সিলেট নগরবাসীকে। নগরবাসীর কথা বিবেচনা করে সিসিকে দ্রুত বর্জ্য পরিষ্কারের দাবি জানান অনেকে।
এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে পাওয়া যায়নি। তবে সিসিক‘র সাবেক মেয়র বিকএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আমরা নিরাপত্তার আশ্বাস দিচ্ছি। এছাড়া বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের বলা হয়েছে পাড়া মহল্লায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালাতে।
সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে: কর্ণেল (অব:) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, বর্জ্য অপসারণে ৪৫ টি ট্রাক কাজ শুরু হয়েছে। পুরো সিলেট মহানগরের বর্জ্য বর্জ্য অপসারণে দুই-তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে।
সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী জানালেন, চলমান সহিংসতায় সিলেটে সিটি করপোরেশনের ক্ষতি হয়েছে ১২ কোটি টাকা। তবে সিসিকের সকল সেবা কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানান তিনি।
আজকের সিলেট/কে.আর
অতিথি প্রতিবেদক 








