সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে নির্মিত শেখ মুজিবুর রহমানের বিশাল প্রতিকৃতি এখন সাদা কাপড়ে ঢাকা। গতকাল ১৫ আগস্টে কেউ শোক জানাতেও যায়নি এখানেও। যদিও নির্মাণের পর থেকে প্রতিবছর ১৫ আগস্টে এই মুর্যালে শ্রদ্ধা নিবেদনের ভিড় লেগে যেতো।
২০২০ সালের ১৯ আগস্ট এই ম্যুরালের উদ্বোধন করেন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এরপর থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকীতে এখানেই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতেন সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে এই ম্যুারলে কেউ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাননি। এমনকি সিলেট আওয়ামী লীগের কোনো নেতা কর্মীও বঙ্গবন্ধুর মুর্যালে ফুল দিয়ে যাননি।
বৃহস্পতিবার দিনভর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল সুনশান নিরবতা। বর্তমান অর্ন্তবর্তিকালীন সরকার জাতীয় শোক দিবসের ছুটি বাতিল করার কারণে বৃহস্পতিবার এখানে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, সিলেট বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ রেঞ্জ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের কেউ এই ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেননি। এমনকি শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৯তম শাহাদৎ বার্ষিকীতে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীও ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেননি।
নগরীর বন্দরবাজার এলাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অপর প্রান্তে সিলেট জেলা পরিষদের কার্যালয়। এই কার্যালয়ের সামনেও বঙ্গবন্ধুর একটি ম্যুরাল রয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান , সদস্যসহ অনেকে এই ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করতেন। কিন্তু এবারের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানেরে এই ম্যুরালটিও সাদা কাপড়ে ঢাকা ছিল।
৫ আগস্ট গণ অভ্যুথানের পর থেকেই আতামগোপনে রয়েছেন জেলা ও জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মী। এবার১৫ আগস্ট সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র দোয়া মাহফিল ও শিরণি বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিউজ ডেস্ক 








