মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিভিন্ন পদক্ষেপগ্রহণ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে যাত্রীদের স্ক্রিনিং, আইসোলেশন কক্ষ প্রস্তুত, লক্ষণযুক্ত যাত্রীদের দ্রুত শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে প্রেরণের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
সোমবার দুপুরে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, এয়ারলাইন্স অপারেটর, সিভিল সার্জন অফিস ও বিমানবন্দর স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রেসব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ওসামনী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়মিত যুক্তরাজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ যেমন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান থেকে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। তাই সাম্প্রতিক সময়ে ছড়িয়ে পড়া মাঙ্কিপক্স ভাইরাসে যাত্রী আক্তান্ত হয়ে যাতে বাংলাদেশে সংক্রমিত না হয় সেজন্য গত ১৭ আগস্ট থেকে বিমানবন্দর মেডিকেল টিম মেডিকেল স্ক্রিনিং করছে।
এছাড়া বিশেষ প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য একটি আইসোলেশন কক্ষ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের তাপমাত্রা থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে স্ক্রিন করার পর প্রয়োজন হলে লক্ষণযুক্ত যাত্রীদের শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে সিলেটের সিভিল সার্জন প্রতিনিধিরা সুরক্ষামূলক পদক্ষেপের উপর আলোকপাত করেন। যেমন সন্দেহভাজন বা নিশ্চিত মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়ানো, মেডিক্যাল মাস্ক পরা, ত্বক থেকে ত্বকে সংস্পর্শ এড়ানো এবং ডিসপোজেবল গ্লাভস ব্যবহার করা, সাবান এবং পানি বা অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড রাব দিয়ে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করার উপর জোর দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে তারা এয়ারলাইন্সগুলোকেও সতর্ক থাকতে এবং কোনও লক্ষণযুক্ত যাত্রী থাকলে দ্রুত স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করতে পরামর্শ দিয়েছেন।
বিমানবন্দর পরিচালক ও সিভিল সার্জন উপস্থিত সবাইকে এসব বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য ও স্বাস্থ্য নির্দেশনা সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমেদ, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরীসহ ব্রিফিং সেশনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, বিমানবন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও বিমানবন্দরে এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আজকের সিলেট/ডি/এপি
নিউজ ডেস্ক 








