ছবি : মোঃ সোহেল মিয়া
নির্বাচন কমিশনার ইসি মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আইনগতভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। যেহেতু বর্তমানে আওয়ামী লীগ একটি স্থগিত দল। এই স্থগিত দল হওয়া মানে তাদের সকল কার্যক্রম স্থগিত তাই আগামী নির্বাচনে তারা অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।
রোববার সকালে সিলেট পুলিশ লাইনে নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতীক বরাদ্ধ নিয়ে এনসিপির অনড় অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতীক বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী যে প্রতীকগুলো থাকে সেখান থেকে একটি প্রতীক দিতে হয়। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তাই আইনগতভাবে কাজ করে। আইনের বাইরে নির্বাচন কমিশন কোনো কাজ করে না। আইন ও বিধি অনুযায়ী তারা (এনসিপি) যে প্রতীক চাচ্ছে সেটি দিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, যেহেতু পিআর নির্বাচন হবে কি- হবে না তা রাজনৈতিক বিষয় তাই রাজনীতিবীদরা সিদ্ধান্ত নেবেন। নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকল বাহিনী প্রস্তুত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোন চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে। অতীতের মতো নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি বিতর্কিত কেউ আগামী নির্বাচনী দায়িত্বে থাকতে পারবেন না বলেও জানান তিনি। তবে নির্বাচন পদ্ধতি একটি রাজনৈতিক বিষয় তাই এই বিষয় নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি নির্বাচন কমিশনার।
নির্বাচন কমিশন কারো পক্ষপাতিত্ব বরদাস্ত করবে না বলে জানিয়ে ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আমাদের একটাই লক্ষ্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। তাই পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যেম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এ সময় পুলিশকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এককভাবে বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না, আমাদের কোনো কলংক নেই। বিগত সময়ের দাগ সব বিভাগেই আছে। আমাদের যে আস্থা আর সমন্বয়য়ের সংকট তা কাটিয়ে উঠতে হবে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
নিজস্ব প্রতিবেদক 








