আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (সা.)-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! কোন দান সওয়াবের দিক দিয়ে বড়? তিনি বললেন, তোমার সে সময়ের দান করা, যখন তুমি সুস্থ থাকবে, মালের লোভ অন্তরে থাকবে, তুমি দরিদ্রতার ভয় করবে এবং ধন-দৌলতের আশা রাখবে। আর তুমি দান করতে বিলম্ব কোরো না। পরিশেষে যখন তোমার প্রাণ কণ্ঠাগত হবে, তখন বলবে, অমুকের জন্য এত, অমুকের জন্য এত। অথচ তা অমুকের (উত্তরাধিকারীর) হয়েই গেছে। (বুখারি, হাদিস : ১৪১৯)
শিক্ষা
হাদিসবেত্তারা বলেন,
১. হাদিস দ্বারা সুসময় সুস্থ ও যুবক বয়সে দান করার মর্যাদা প্রমাণিত হয়।
২. দানের কাজে বিলম্ব করা উচিত নয়। বিশেষত এই আশায় যে আরো অর্থবিত্ত বৃদ্ধি পেলে দান করব।
৩. অসুস্থতার সময় অনেকে দান করেন। কিন্তু অসুস্থতার দান ব্যক্তিকে কৃপণতার দোষ থেকে মুক্ত করে না।
৪. কঠিন বা দুর্দিনে যে আমল করা হয় তার প্রতিদানও বৃদ্ধি পায়।
৫. সুস্থতার সময়ে নিজে দান করা উত্তম অসুস্থতার সময় অন্যকে দান করার অসিয়ত করার চেয়ে। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
ধর্ম ও জীবন ডেস্ক 








