চলতি বছরের সদ্যবিদায়ী এপ্রিল মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৮ হাজার ৩৮৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ দশমিক ৭৫ টাকা হিসাবে)। এই আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। আগের বছরের এপ্রিলে প্রবাসী আয় এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।
তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল ১০ মাসের হিসাবেও প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের উল্লম্ফন হয়েছে। এ সময়ে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। এই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছে দুই হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে দেশে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল চলতি বছরের মার্চে। ওই সময় প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে, ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের ডিসেম্বর মাসে, সে সময় দেশে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। আর চতুর্থ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। ওই মাসে প্রবাসী আয় ছিল ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।
প্রবাসী আয় পাঠানোর ব্যবস্থা, ডলারের বিনিময় ব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রণোদনার কারণে প্রবাসী আয় বাড়ছিল। এ ছাড়া দেশের শ্রমবাজারে সংকট তৈরি হলে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার অতীতের মতোই প্রবাসী আয় বেড়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলা শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংকট তৈরি হয়। এর ফলে প্রবাসীরা হাতে থাকা অর্থ বেশি পাঠাতে থাকেন। মার্চ-এপ্রিল মাসে প্রবাসী আয় বাড়ার পেছনে এই যুদ্ধও কাজ করেছে।
প্রবাসী আয় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, চলতি মাসেও ঈদুল আজহার কারণে প্রবাসী আয়ে এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
অর্থনীতি ডেস্ক 








