ইউরোপে যাওয়ার আশায় দালাল চক্রকে ১২ লাখ টাকা দিয়েছিলেন হবিগঞ্জের আমিন মিয়া (৩৩)। তিন দেশ ঘুরিয়ে তাকে নেওয়া হয় লিবিয়ায়। সেখান থেকে ভূ-মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছানোর পরিকল্পনা থাকলেও ভুল জাহাজে ওঠার কারণে শেষ পর্যন্ত মিসরে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি।
আমিন মিয়া হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর পাঠানিহাটি এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত সপ্তাহে আমিনসহ সুদান, সোমালিয়া ও মিসরের ৫২ জনকে গ্রিসের উপকূলের কাছাকাছি একটি দ্বীপে নামিয়ে দেয় দালাল চক্র। সেখান থেকে তাদের গ্রিসের মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার কথা বলে একটি জাহাজে তোলা হয়।
তবে জাহাজে ওঠার পরই ঘটে বিপত্তি। গ্রিসের পরিবর্তে সেটি মিসরের দিকে যেতে থাকে। পরে মিসরে পৌঁছালে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা না থাকায় আমিনসহ ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আমিনের ভাই শামীম মিয়া বলেন, ভুল জাহাজে তুলে দেওয়ার পরও দালাল চক্র তাদের টাকা ফেরত দিচ্ছে না।
হবিগঞ্জে লিবিয়া হয়ে ভূ-মধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার প্রবণতা দীর্ঘদিনের। পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে, গত এক বছরে জেলার অন্তত ৪০ তরুণ অবৈধভাবে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূ-মধ্যসাগরে নিখোঁজ হয়েছেন। এর আগের কয়েক বছরেও শতাধিক তরুণ নিখোঁজ হয়েছেন।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 








