সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন। তবে হামলাটি ঠিক কখন চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানাননি তিনি।
ইয়াহিয়া সারে বলেন, ঘাঁটিতে থাকা অস্ত্রের গুদাম ও কমান্ড সেন্টার হামলার লক্ষ্য ছিল। তাঁর দাবি, এসব স্থাপনা থেকে হুথিদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ‘আগ্রাসন’ পরিচালনা করা হচ্ছিল।
এর আগে গত সপ্তাহে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সৌদি আরব সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে।
হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
এদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসরমান হুথিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেবে না এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিন সফরকালে হুথিদের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে বলে জানান তিনি।
হুথিদের সামরিক তৎপরতার মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে সৌদি আরবের একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।
সৌদির তেল পাইপলাইনে হামলার বিষয়ে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এর পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 








