আজ বৃহস্পতিবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

মহানগর যুবলীগের সম্মেলন আজ

  • আপডেট টাইম : জুলাই ২৭, ২০১৯ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট : দীর্ঘ ১৪ বছর পর সিলেট মহানগর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আজ। শনিবার দুপুর ২টায় সিলেটের ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে সম্মেলনের প্রথম পর্ব আর পরে বিকাল ৫টা থেকে কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় পর্ব।

সর্বশেষ ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন সৈয়দ শামীম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন আব্দুর রহমান জামিল। পরবর্তীতে তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় ২০১৪ সালে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তবে ৫ বছরেও সম্মেলনের আয়োজন করতে পারেনি আহ্বায়ক কমিটি।

সভাপতি পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন- বর্তমান কমিটির আহবায়ক আলম খান মুক্তি, যুবলীগ নেতা শান্ত দেব ও যুবলীগের আগের কমিটির সদস্য শ্যামল সিংহ।

সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন – বর্তমান আহবায়ক কমিটির ১ম যুগ্ম আহবায়ক মুশফিক জায়গিরদার, ২য় যুগ্ম আহবায়ক সেলিম আহমেদ সেলিম, আব্দুল লতিফ রিপন। পাশাপাশি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সুবেদুর রহমান মুন্না, আব্দুল লতিফ রিপন, জাকিরুল আলম জাকির ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নেতা রায়হান চৌধুরী ও আব্দুল আলিম তুষারের নামও আলোচিত হচ্ছে।

তবে, প্রকাশ্যে প্রার্থীতা ঘোষণা না করলেও কাউন্সিল পর্বে সুযোগ বুঝে কেউ কেউ প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা গেছে।

সভাপতি প্রার্থী শান্ত দেব বলেন, ‘ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে অনেক দ্বিধাবিভক্তি আছে। দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগী নেতাদের যেভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আবারো যেন তাদের ভোটের অধিকার বঞ্চিত করা না হয়। কারণ যে ভাবে কাউকে না জানিয়ে ওর্য়াড কমিটি ও ভোটার তালিকা করা হয়েছে তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হলে অবশ্যই নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে।’

সভাপতি প্রার্থী শ্যামল সিংহ বলেন, ‘ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে ওয়ার্ড কমিটিতে হাইব্রিডদের পদ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি না থাকলে এটা একটা আইওয়াশ নির্বাচন হবে। তারপরও সকল ভোটারদের সাথে যোগাযোগ রাখছি।’

সিলেট মহানগর যুবলীগের আহবায়ক ও সভাপতি প্রার্থী আলম খান মুক্তি বলেন, ইতোমধ্যে সবকটি ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা পৌঁছে গেছে। ভোটার তালিকা নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে সেসব পুরোটাই ভিত্তিহীন। যারা এসব অভিযোগ করেছেন তারা কখনোই যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। আমরা যারা দলকে টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করেছি, এখন তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগের তীর ছুঁড়ছেন তারা।’

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বর্তমান আহবায়ক কমিটির ১ম যুগ্ম আহবায়ক মুশফিক জায়গিরদার বলেন, আমি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসছি। তাই এই সম্মেলনকে ঘিরে আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী। আহবায়ক কমিটিতে থাকা অবস্থায় আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি সম্মেলন করার। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেটা আমরা করতে পারিনি। তবে আমরা সিলেট মহানগর যুবলীগ কোনো কমতি রাখিনি। নির্বাচনী মাঠে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত আছি।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী রায়হান চৌধুরী বলেন, ৩ মাসের কথা বলে ৫ বছর চালানো হলো মহানগর যুবলীগ। এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। আমরা যারা ছাত্রলীগ করে যুবলীগ করতে এসেছি আমরা চাই যুবরাই যুবলীগের নেতৃত্ব দিবে। দীর্ঘদিন যাবত সিলেটের যুবলীগ নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন..

এই সম্পর্কিত আরও নিউজ